• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

‘মুক্তিযোদ্ধা তৈরীর মেশিন ছিল আ. লীগ’

সিসি নিউজ।। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো, মোসলেম উদ্দিন বলেছেন ‘মুক্তিযোদ্ধা তৈরীর মেশিন ছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ। ৫ আগস্টের পর তাদের সেই মেশিন বন্ধ হয়ে গেছে’।
বুধবার দুপুরে নীলফামারীতে আল হেলাল একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ জেলা শাখার কাউন্সিল উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ওই মেশিনের মাধ্যমে ১৬ বছরে তারা অসংখ্য ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরী করেছে। ওই মেশিনে যুবকদেরও তারা মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছিল। মেশিনের নাম ছিল আওয়ামী মেশিন। এই মেশিনের কাজ ছিল এক দিক দিয়ে দিলে মুক্তিযোদ্ধা বের হতো, আর এক দিক দিয়ে দিলে রাজাকার বের হতো’।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষমতা পরিবর্তন ও ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা একটি বড় শক্তি। দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের গুরুত্ব অনেক। আর এই কারণে আওয়ামী লীগ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরীর কাজটি করেছিল। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ ১৬ বছরে বাংলাদেশের অনেক ক্ষতি করেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। তিন বিঘা করিডোর, তিস্তা,ফারাক্কা নদীসহ অনেক কিছু ভারতকে দিয়ে দিয়েছে।’
বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর এই দলটির কিছু নেতা ভারতের হয়ে কথা বলছেন। ভারতের দালালী করা শুরু করেছেন। আমরা ভারতীয় দালাল মুক্ত বাংলাদেশ চাই।’ আগামী ২১ জুন ঢাকা প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের মহাসমাবেশকে সফল করার জন্য সকল মুক্তিযোদ্ধাদের আহবান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান।
সভা সঞ্চালনা করেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর খায়রুল আনাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল কাদিম, ডোমার উপজেলা আমীর আব্দুল হাকিম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে সর্বসম্মত্তিক্রমে মো. মনিরুজ্জামানকে সভাপতি ও জালাল উদ্দীনকে সেক্রেটারী করে ২০২৫-২৬ সেশনের জন্য ১৪ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের জেলা কমিটি গঠন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ